admin-ratul
When you're singing you can hear the echo of people in the audience singing every single word with you, and that was that big dream that I had for myself. It's happening.
Song, Photography, Blog, Creative, Live Show, Poetry
-1
archive,author,author-admin-ratul,author-1,wp-theme-bridge,bridge-core-1.0.5,ajax_fade,page_not_loaded,,qode-theme-ver-18.1,qode-theme-bridge - downloaded from themelock.com,disabled_footer_top,qode_header_in_grid,wpb-js-composer js-comp-ver-8.5,vc_responsive
 

Author: admin-ratul

ছোটবেলা থেকেই আমি একটু তারকাটা প্রকৃতির। মনটা শ্রাবণ দিনের মতো। এই রোদ এই মেঘলা। কখন, কেন, কিসের জন্য যে হঠাৎই মনখারাপ হয়ে যায়, সে আমি বহু চেষ্টাতেও বুঝতে পারিনি এতদিনেও। শুধু বুঝতে পারি, আজ ভালো লাগছেনা, কিচ্ছু ভালো লাগছেনা...

একটা ফাঁকা সুনসান রাস্তা। অজানা, অচেনা। দুপাশে কত গলি, গলি গিয়ে মিশেছে অন্য কোনো গলিতে। সে আবার অন্য কোনো গলির সাথে অন্য কোনো বড়োরাস্তার ঠিকুজি কুষ্ঠি জেনে নিতে ব্যস্ত। আমি ছুটছি। প্রানপনে ছুটছি। আসলে পালাচ্ছি...

রাতে ঘুম আসেনা, গান আসে। তার গা থেকে গড়িয়ে পড়ে সুর। মাটি ছুঁতেই সে হয়ে যায় অপনবেগে পাগলপারা এক নদী। পায়ে তার রুপোর মল। পরনে নীল রঙের শাড়ি। ছিপছিপে শরীরে তিন সপ্তকের চরাই-উৎরাই। দু চোখে সাপাট টানের ঝলক খেলিয়ে সে প্রশ্ন করে- এত রাত্রে জেগে...

সারাটা দিন ধরে আকাশের মুখ আজ মেঘলা। থেকে থেকেই বৃষ্টি। আর বৃষ্টি থামলেই মাটির বুকের থেকে উঠে আসছে মনখারাপের সোঁদা গন্ধ।থেকে থেকে বাতাসে ভেসে ভেসে আসছে কার যেন দীর্ঘশ্বাস- বন্ধু, কী খবর বল। কতদিন দেখা হয়নি। কে যেন একটা রুমাল ফেলে চলে গেছে সামনের রাস্তায়,...

আজ এক অলৌকিক গোধূলি দেখালো প্রকৃতি। এমন আয়োজন এর সামনে আমাদের শব্দভান্ডারকে অত্যন্ত সামান্য মনে হয়। এই উদযাপনের কাছে আমাদের সব রং ফিকে হয়ে যায়। আমাদের সুর এই উৎসবের কাছে নতজানু হয়ে বসে। সম্মোহিত হয়ে অস্তরাগের সবটুকু রং নিঃশেষে ভ'রে নিতে চাইছিলাম আমার সামান্য ভিক্ষাপাত্রে।...

কোনো কোনো বিকেল প্রত্নতাত্ত্বিক। অনেকদিন আগে পেরিয়ে আসা কোনো বৃষ্টি-দুপুর খনন করে বিষাদ তুলে নিয়ে আসে। তার ধুলো মুছে, মাটি পরিষ্কার করে সামনে রাখে স্পষ্ট অবয়ব-যেন গতকাল। তার দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে মন। তার হাতে ইতিহাস বই...

স্মৃতি আসলে একটা ডাকঘর যার কোনো অফিস আওয়ার নেই। কারণে অকারণে যখন তখন চিঠি আসে রংবেরঙের খামে। আর গান হলো সেই ডাকঘরের ডাক-হরকরা। কোনো সময়ের সীমারেখা নেই তার, এই অন্তহীন ডিউটিতে। যখন খুশি আসে। ঘণ্টি বজায়। হাতে ধরিয়ে দেয় খাম। খাম খুলতেই চিঠি, আর চিঠি...

কতকিছু যে হারিয়ে যায়! জমিয়ে রাখা বকুলবিচি, রং করতে করতে ক্ষয়ে ছোট হয়ে যাওয়া ক্রেয়নের টুকরো, প্রিয় জামার বোতাম, ভাঙা সাইকেলের মরচে ধরা বেল, আরও কতকী...

একটা বড় একান্নবর্তী পরিবারে আমার আপন বলতে ছিল ভালোবাসার কিছু মানুষ, বাড়ির বাইরে একটা ছোট উঠোন, তার বাইরে এক চিলতে জমিতে মায়ের হাতে লাগানো রংবেরঙের ফুলের গাছ আর তার শেষে একটা ঝাপড়া বকুল গাছ- আমার খেলার পার্টনার। দুঃখে আমার আশ্রয়, যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় ভিলেন, আনন্দে...